দৃষ্টি প্রতিবন্ধী এতিমখানা মাদ্রাসায় অনুদান দিন
চলমান প্রকল্প
মসজিদ মাদ্রাসা কমপ্লেক্স নির্মাণ কাজ চলমান।
আল্লাহ তাআলা আপনার এই মহৎ উদ্যোগ কবুল করুন এবং বরকত দান করুন। মসজিদ ও মাদ্রাসা দ্বীন শিক্ষার এবং ইবাদতের মূল কেন্দ্র। ইসলামে মসজিদ ও দ্বীনি প্রতিষ্ঠান নির্মাণে দান করার অশেষ ফজিলত রয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য একটি মসজিদ নির্মাণ করবে, আল্লাহ তাআলা তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর তৈরি করবেন।” (সহিহ বুখারি ও মুসলিম)
বিস্তারিত দেখুন
মসজিদ মাদ্রসা কমপ্লেক্স এর প্রথম ছাদ ঢালাই।
🕌 প্রথম ছাদ ঢালাইয়ে আপনার সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন 🕌 “যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য একটি মসজিদ নির্মাণ করবে, আল্লাহ তাআলা জান্নাতে তার জন্য একটি ঘর তৈরি করবেন।” — (সহিহ বুখারি)
বিস্তারিত দেখুন
যে যা দিয়ে সহযোগিতা করতে পারেন।
চোখ দিয়ে যারা পৃথিবীর আলো দেখতে পায় না, আপনার সামান্য সহায়তায় তারা দ্বীনের আলো পেতে পারে এবং পবিত্র কোরআনের হাফেজ হতে পারে। তাদের প্রতিটি তিলাওয়াত, প্রতিটি সেজদা ও দোয়ার সওয়াব পৌঁছাবে আপনার আমলনামায়—যা হতে পারে আপনার ও আপনার মরহুম অভিভাবকদের জন্য এক মহান সদকায়ে জারিয়া।
বিস্তারিত দেখুনঅনুদান তহবিল সমূহ
ফিদিয়া আদায় করুন
দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা বা বার্ধক্যের কারণে যারা রমজানে রোজা রাখতে পারেন না এবং ভবিষ্যতে কাজা করার সক্ষমতা নেই, তাদের জন্য ইসলামি শরিয়াহ নির্ধারিত বিকল্প ব্যবস্থা হলো 'ফিদয়া'। এর মাধ্যমে একজন অসহায় মানুষকে প্রতিদিন দুই বেলা আহার করানো হয়। খরচের হিসাব: ইসলামি বিধান অনুযায়ী, প্রতিটি রোজার ফিদয়া হলো একজন অসহায় মানুষকে দুই বেলা তৃপ্তি ভরে আহার করানো। বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী মানসম্মত দুই বেলার খাবারের গড় খরচ ২২০ টাকা (১১০ টাকা প্রতি বেলা)।
দান করুন
কুরবানী তহবিল
দৃষ্টি প্রতিবন্ধী এতিমখানা মাদ্রাসায় শত শত গরিব,অসহায়,এতিম ও অন্ধ কুরআনের পাখিরা কুরআন শিখে। যাদের কাছে সারাবছর গরুর গোশত খাওয়া এক দুর্লভ স্বপ্ন। একমাত্র কুরবানীর ঈদই তাদের সেই স্বপ্নের দুয়ার খুলে দেয়। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে, যেখানে কুরবানীর সংখ্যা খুবই নগণ্য। ফলে ঈদের দিনেও অনেক অসহায় মানুষের হাড়িতে গোশত জোটে না।
দান করুন
রোজার কাফফারা আদায়ে দান করুন
মজান মাসের প্রতিটি রোজা রাখা একজন সুস্থ ও প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানের ওপর ফরজ। কোনো ওজর বা যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া ইচ্ছাকৃতভাবে রমজানের রোজা ভেঙে ফেলা একটি বড় গুনাহ। ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী, এই ভুলের সংশোধনের জন্য কেবল তওবা যথেষ্ট নয়, বরং এর জন্য কঠোর শাস্তিস্বরূপ 'কাফফারা' আদায় করা ওয়াজিব। রোজা ভাঙার কাফফারা কী? কাফফারা হলো সেই ক্ষতিপূরণ বা প্রায়শ্চিত্ত যা একজন মুমিনকে তার ইচ্ছাকৃতভাবে রোজা ভঙ্গের কারণে প্রদান করতে হয়। এটি আল্লাহর বিধানের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং নিজের নফসের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার একটি পরীক্ষা।
দান করুন
যাকাত তহবিল
আপনার যাকাতের অর্থ শুধু কারো একবেলার খাবারের ব্যবস্থা করে না, বরং একটি অচল সংসারের চাকা আবার সচল করে দিতে পারে। একটি পরিবার পেতে পারে নতুন করে বেঁচে থাকার আশা, শিশুরা ফিরে পেতে পারে শিক্ষা ও স্বপ্ন দেখার অধিকার, আর অসহায় মানুষগুলো খুঁজে পায় মর্যাদাপূর্ণ জীবনের পথ।
দান করুন
সবার জন্য কুরবানী
বাংলাদেশে এমন লক্ষ লক্ষ পরিবার আছে, যাদের কাছে সারাবছর গরুর গোশত খাওয়া এক দুর্লভ স্বপ্ন। একমাত্র কুরবানীর ঈদই তাদের সেই স্বপ্নের দুয়ার খুলে দেয়। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে, দেশের এমন অনেক দারিদ্র্যপীড়িত প্রত্যন্ত অঞ্চল আছে যেখানে কুরবানীর সংখ্যা খুবই নগণ্য। ফলে ঈদের দিনেও অনেক অসহায় মানুষের হাড়িতে গোশত জোটে না।
দান করুন
সাদকায় জারিয়াহ তহবিল
সাদাকা মাত্রই উপকারী ও বিরাট সওয়াবের কাজ। এর বহু প্রকার ও ধরন রয়েছে। কিছু সদকা আছে অস্থায়ী। যেমন কাউকে খাদ্যদ্রব্য দান করা। আর কিছু সদকা আছে স্থায়ী। যেমন মসজিদ নির্মাণ করা। এই প্রকার সদকাকে ‘সদকায়ে জারিয়া’ বলা হয়। সদকায়ে জারিয়া করলে মৃত্যুর পরও দানকারীর ‘সওয়াব-সঞ্চয়’ সমৃদ্ধ হতে থাকবে।
দান করুন
শিক্ষা সহায়তা
দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য ব্রেইল কুরআন শরীফ,রাইটিং এবং পেন গরিব ও এতিম ছাত্রদোর জন্য কুরআন শরীফ সহ প্রয়োজনী জিনিশ প্রত্র। প্রয়োজন।
দান করুন
মসজিদ মাদ্রাসা নির্মাণ কাচ চলমান
ইসলামে দ্বীনি প্রতিষ্ঠান—বিশেষ করে মসজিদ, মাদ্রাসা এবং এতিমখানার নির্মাণ কাজে দান করাকে সদকায়ে জারিয়া (প্রবহমান দান) হিসেবে গণ্য করা হয়। অর্থাৎ, আপনার মৃত্যুর পরও এই দানের সওয়াব বা প্রতিদান অব্যাহত থাকবে
দান করুননিউজ & স্টোরিজ
মসজিদ মাদ্রাসা কমপ্লেক্স নির্মাণ কাজ চলোমান
"যারা আল্লাহর রাস্তায় তাদের ধন-সম্পদ ব্যয় করে, তাদের উদাহরণ একটি শস্যদানার মতো, যা থেকে সাতটি শিষ জন্মায় এবং প্রতিটি শিষে একশত করে দানা থাকে।" — (সূরা আল-বাকারাহ: ২৬১)
বিস্তারিত দেখুন
কুরবানি প্রজেক্ট: আপনার ত্যাগ, সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি
পবিত্র ঈদুল আজহা মানেই ত্যাগের মহিমা এবং ভাগ করে নেওয়ার আনন্দ। কিন্তু আমাদের সমাজে এমন অসংখ্য মানুষ আছেন, যাদের কাছে এই আনন্দের দিনেও এক টুকরো গোশত জোগাড় করা
বিস্তারিত দেখুন
দৃষ্টি প্রতিবন্ধী এতিমখানা মাদ্রাসা কুরবানি প্রজেক্ট: এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুর মুখে ঈদের হাসি
বিত্র ঈদুল আজহার আনন্দ কেবল নতুন পোশাকে নয়, বরং ত্যাগের মাধ্যমে অন্যের মুখে হাসি ফোটানোর মধ্যেই নিহিত। কিন্তু আমাদের আশেপাশে এমন অনেক এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত শিশু রয়েছে, যাদের জন্য এই উৎসবের দিনেও
বিস্তারিত দেখুন
দৃষ্টি প্রতিবন্ধী এতিমখানা কুরবানি প্রজেক্ট: আপনার ত্যাগে, অসহায় মানুষের মুখে হাসি
পবিত্র ঈদুল আজহা মানেই ত্যাগের মহিমা এবং ভাগ করে নেওয়ার আনন্দ। কিন্তু আমাদের সমাজে এমন অসংখ্য মানুষ আছেন, যাদের কাছে এই আনন্দের দিনেও এক টুকরো গোশত জোগাড় করা
বিস্তারিত দেখুন
এক টুকরো আলো হোক ওদের অন্ধকারের সঙ্গী
আপনার যাকাত, ফিৎরা, সদকা কিংবা সাধারণ অনুদানের মাধ্যমে আপনিও নিতে পারেন একজন দৃষ্টিহীন এতিম শিশুর দায়িত্ব। আপনার দেওয়া এই সামান্য অর্থ হয়তো দুনিয়ায় ওদের চলার পথ মসৃণ করবে, আর আখেরাতে আপনার জন্য বয়ে আনবে অফুরন্ত নাজাতের উসিলা।
বিস্তারিত দেখুন
এক বেলা খাবার ব্যবস্তা করে দিন।
১৭৫ জন অন্ধ ও এতিম শিশুর এক বেলার খাবারের ব্যবস্থা করা অত্যন্ত বিশাল এবং সৌভাগ্যের একটি কাজ। ইসলামে এতিম এবং অন্ধ বা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সেবা করার ব্যাপারে এবং ক্ষুধার্তকে অন্ন দেওয়ার বিষয়ে অত্যন্ত উচ্চ মর্যাদা ও পুরস্কারের কথা বলা হয়েছে। হাদিসের আলোকে এই মহান কাজের গুরুত্ব এবং প্রতিদান নিচে তুলে ধরা হলো: ১. রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাথে জান্নাতে থাকার সৌভাগ্য রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজে একজন এতিম ছিলেন এবং তিনি এতিমের লালন-পালন ও সহায়তাকারীকে জান্নাতে তাঁর একদম কাছাকাছি থাকার সুসংবাদ দিয়েছেন।
বিস্তারিত দেখুন
50+
হাফেজ হইছে
দৃষ্টি প্রতিবন্ধী এতিমখানা মাদ্রাসা। মানবতার কল্যাণে নিবেদিত একটি বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান
দৃষ্টি প্রতিবন্ধী এতিমখানা মাদ্রাসা। একটি সম্পূর্ণ অলাভজনক, অরাজনৈতিক এবং জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান। সমাজ থেকে দারিদ্র্য দূরীকরণ, দ্বীনি ও সাধারণ শিক্ষার প্রসার এবং অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর মহান লক্ষ্য নিয়ে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আপনার দেওয়া দান,যাকত আমরা খুব সর্তকতার সাথে হেফযত রাখি,ইনশাআল্লাহ।
আপনাদের দেওয়া যাকাত, ফিতরা এবং সাদাকাহর অর্থ আমরা অত্যন্ত স্বচ্ছতা ও আমানতদারিতার সাথে সঠিক হকদারদের কাছে পৌঁছে দেই।
-
১০০% স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ।
-
সরাসরি মাদ্রাসা এসে দেখে শুনে বুঝে দান করতে পারবেন।
-
সম্পূর্ণ ইসলামী শরীয়াহ ভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালনা।
-
আপনার দান আমাদের একান্ত প্রয়োজন।
অনুদানের অন্যান্য উপায়
সাধারন দান
ব্যাংক অ্যাকাউন্ট
The City Bank PLC
Acc Name:
Madinatu Ulum Dristy protibondi Etim khana Marsha
Acc No: 1781910011898
Branch: Jatrabari
SWIFT Code: CIBLBDDHXXX
Routing Number: 225272868
DHAKA-BANGLADESH
আপনাদের দান মাদ্রাসায় একান্ত প্রয়োজন।
যাকাত
ব্যাংক অ্যাকাউন্ট
Islami Bank PLC
Acc Name:MADINATUL ULUM MADRSSHA
Acc No: 20506370200364907
Damra Staff Quarter Sub-Branch,jatrabari-Dhaka
SWIFT Code: IBBLBDDH
Routing Number: 125273220
DHAKA-BANGLADESH
অন্যান্য অপশন
অনলাইনে প্রদান করুন
BKash (parsonal) 01885517827
BKash (parsonal) 01953808171
Nagad (Payment) 01917226967
BKash (Payment) 01917226967
Nagad (Parsonal) 01953808171
BKash (Parsonal) 01885517827
Rocket (Parsonal) 01953808171
Rocket(Parsonal) 01885517827
বাচ্চাদের মাসিক খরচ
ব্যাংক অ্যাকাউন্ট
Social Islamic Bank PLC
Acc Name:Madinatul Ulum Hafizia Madrasha
Acc No:5091360000085
Routing No : 195275766
Swift : Soivbddh
Branch : Donia
DHAKA-BANGLADESH